Articles by "Sports"

Showing posts with label Sports. Show all posts

‘নেগেটিভ’ হওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করলেন মাশরাফি খেলা ডেস্ক ২৮ জুন ২০২০, ১৭:১৬ আপডেট: ২৮ জুন ২০২০, ১৭:৪৩ ৩ মাশরাফি জানালেন তিনি এখনো করোনা ‘নেগেটিভ’ নন। ফাইল ছবিমাশরাফি জানালেন তিনি এখনো করোনা ‘নেগেটিভ’ নন। ফাইল ছবি করোনায় আক্রান্ত জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার চিকিৎসা চলছে তাঁর বাসাতেই। শারীরিক সমস্যাও তেমন একটা নেই। তাই বলে, তিনি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে গেছেন, সেটিও ঠিক নয়। মাশরাফি করোনা টেস্টে নেগেটিভ হয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন খবরকে বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি নিজেই। সবার প্রতি মাশরাফির আহবান, এসব ভুল সংবাদে যেন কেউ কান না দেয়। ফেসবুকে নিজেরে ভেরিফাইড পেজে আজ এ নিয়ে মাশরাফি লিখেছেন, ‘বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে আমি কোভিড-১৯ নেগেটিভ। এটি মোটেও সত্য সয়। এখনো পুনরায় টেস্ট করাইনি। ১৪ দিন হওয়ার পর টেস্ট করানোর ইচ্ছে আছে।’ একই সঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান মাশরাফি। সবার দোয়া চেয়েছেন তিনি, ‘মহান আল্লাহর ইচ্ছায় ও আপনাদের দোয়ায় এমনিতে ভালো আছি। বাসায় থেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিচ্ছি। বড় কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। আমার জন্য ও দেশজুড়ে আক্রান্ত সবার জন্য প্রার্থনা করছি। সবাই সাবধানে থাকবেন, ভালো থাকবেন। আমরা সবাই মিলেই লড়াই চালিয়ে যাব। আল্লাহ সহায়।’ কয়েকদিন জ্বরে ভোগার পর গত ১৯ জুন নমুনা পরীক্ষা করতে দিয়ে ২০ জুন করোনা পজিটিভ হন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি। এর আগে তাঁর শাশুড়ি ও স্ত্রীর বোন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মাশরাফির পর কোভিড-১৯ পজটিভ হয়েছেন তাঁর ছোট ভাইও।

'রাহুল দ্রাবিড় বিশ্বের সবচেয়ে কম মূল্যায়িত ক্রিকেটার' খেলা ডেস্ক ২৮ জুন ২০২০, ১৯:৩০ আপডেট: ২৮ জুন ২০২০, ১৯:৩০ ৪ ইরফান পাঠান মনে করেন ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে কম মূল্যায়িত ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়। ছবি: এএফপিইরফান পাঠান মনে করেন ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে কম মূল্যায়িত ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়। ছবি: এএফপিভারতের সফল অধিনায়কদের নাম নিলেই প্রথমে চলে আসে কপিল দেবের কথা। ১৯৮৩ সালে বিশ্বকাপ জিতিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের দিগন্তই বদলে দিয়েছিলেন কপিল। আসে সুনীল গাভাস্কারের কথাও, যাঁর অধীনে অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৮৫ সালে 'মিনি বিশ্বকাপ' জিতে ওয়ানডের বড় শক্তি হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়ায় ভারত। মহেন্দ্র সিং ধোনি জিতিয়েছেন একটি টি–টোয়েন্টি ও একটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও। সৌরভ গাঙ্গুলী বিশ্বকাপ জেতাতে না পারলেও আজকের ভয়ডরহীন ভারতীয় দলের রূপকার তো তিনিই। ভারতের সফল অধিনায়কের তালিকায় মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের নামও উচ্চারিত হয় কখনো কখনো। আর হালের বিরাট কোহলি তো আছেনই। কিন্তু 'দ্য ওয়াল' রাহুল দ্রাবিড়কে কেন ভারতের সফল অধিনায়কদের কাতারে ফেলা হয় না— এই প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক ভারতীয় পেসার ইরফান পাঠান। অথচ এই রাহুল দ্রাবিড় কঠিন এক সময়ে ভারতীয় দলের হাল ধরে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাফল্যের সঙ্গে। কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে বিবাদের সূত্র ধরে ২০০৫ সালে অধিনায়কত্ব থেকে বিদায় নেন সৌরভ। অধিনায়কত্ব ওঠে দ্রাবিড়ের কাঁধে। সময়টা আসলেই কঠিন ছিল। গুঞ্জন ছিল, চ্যাপেল ভারতীয় ড্রেসিং রুমের শান্তি নষ্ট করেছেন। দলের মধ্যেও দেখা দিয়েছিল বিভক্তি। ওরকম একটা সময়ে দায়িত্ব নিয়ে ২৫টি টেস্ট আর ৭৯টি ওয়ানডেতে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দ্রাবিড়। অধিনায়ক হিসেবে দ্রাবিড় সফল নাকি ব্যর্থ, পরিসংখ্যানই তা বলে দিচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে ৭৯টি ওয়ানডের ৪২টিতেই ভারত জিতেছিল। টানা জয় ছিল ১৭টি ম্যাচে। ২৫টি টেস্টের মধ্যে জিতেছিল ৮টিতে। ওয়ানডেতে সাফল্যের হার ৫৬ শতাংশ, টেস্টে ৩২ শতাংশ। তারপরেও দ্রাবিড়ের নাম কেন সফল অধিনায়কদের তালিকায় থাকে না, সেটা এক রহস্য। ইএসপিএন–ক্রিকইনফোর এক লাইভ ইনস্টাগ্রাম ভিডিও শোতে ইরফান সে প্রশ্নটি তুলেই বলেছেন, 'বিশ্বের সবচেয়ে কম মূল্যায়িত ক্রিকেটার হচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়।' নিজের কথার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সাবেক ভারতীয় পেসার বলেন, 'রাহুল দ্রাবিড় অসাধারণ এক অধিনায়ক। দলের খেলোয়াড়দের কার কাছে তিনি কী চান, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা ছিল তাঁর। একেক জন অধিনায়ক একেক ভাবে ভাবেন। রাহুলেরও নিজস্ব একটা ভাবনা ছিল। তবে খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাঁর সংযোগটা দারুণ ছিল।' দ্রাবিড়ের অধিনায়কত্ব নিয়ে বিতর্কও আছে। ২০০৪ সালের মার্চে ভারতীয় দলের পাকিস্তান সফরে সৌরভের চোটের কারণে প্রথম দুই টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। মুলতান টেস্টেরাহুল ভারতের ইনিংস ঘোষণা করে দেন শচীন টেন্ডুলকারকে ১৯৪ রানে রেখেই। অনেকেই তখন সহজভাবে নেননি ব্যাপারটা।প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল দ্রাবিড়কে।

‘মেসি আর রোনালদোকে যোগ করলে পেলে হয়’ খেলা ডেস্ক ২৮ জুন ২০২০, ২৩:০৭ আপডেট: ২৮ জুন ২০২০, ২৩:০৯ মেসি ও রোনালদোর মান মিলিয়ে পেলের মানের সমান হবে, বলছেন টোস্টাও। ছবি: সংগৃহীত।মেসি ও রোনালদোর মান মিলিয়ে পেলের মানের সমান হবে, বলছেন টোস্টাও। ছবি: সংগৃহীত।সময়ের তো বটেই, গত ১২-১৫ বছরে লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন নিজেদের, সর্বকালের সেরাদের সঙ্গেই উচ্চারিত হয় তাঁদের নাম। সর্বকালের সেরা বিতর্কটা নিয়ে যদিও প্রশ্ন থাকে সব সময়ই, এক যুগের সঙ্গে অন্য যুগের ফুটবল গতি-কৌশলে-শারীরিক শক্তিতে মেলে না। দিন শেষে সর্বকালের সেরার উত্তরটা তাই ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ওপরই নির্ভর করে। তাতে কারও চোখে লিওনেল মেসি সেরা, কারও চোখে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, কেউবা সর্বকালের সেরার বিতর্কে পেলে বা ম্যারাডোনার সামনে এ দুজনকে তুলনায়ই আনতে চান না। ব্রাজিল কিংবদন্তি টোস্টাও সম্ভবত এ শ্রেণিতেই পড়েন। সত্তর বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ব্রাজিল দলের এই ফরোয়ার্ডের চোখে, মেসি আর রোনালদোকে যোগ করলে একজন পেলে হয়! সত্তর বিশ্বকাপের ব্রাজিল দল এমনিতেই ইতিহাসে অনন্য। বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দলের নাম বললেও ১৯৭০ বিশ্বকাপে মেক্সিকোতে আলো ছড়ানো সেই ব্রাজিল দলেরই নাম আসবে। বিশ্বকাপের আগে চোখের অস্ত্রোপচারের কারণে সেবার বিশ্বকাপ খেলাই অনিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল টোস্টাওয়ের। তাঁর চোখের অস্ত্রোপচার করা ডাক্তার আলিস আর. ম্যাকফারসন পরে মজার একটা ঘটনা বলেছিলেন। সেটি এরকম, ‘জীবনে অনেক চোখের অস্ত্রোপচার করেছি। সব ক্ষেত্রেই প্রথম প্রশ্নটা হয়, ‘’আমি আমার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাব?’’ আর এই ভদ্রলোকের (টোস্টাও) প্রশ্ন ছিল, ‘’আমি কি বিশ্বকাপ খেলতে পারব?’’ শেষ পর্যন্ত অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে কিংবদন্তি বনে যাওয়া সেই ব্রাজিল দলে জায়গা হয় টোস্টাওয়ের। মূলত প্লেমেকার হলেও পরে প্রীতি ম্যাচে তাক লাগিয়ে পেলে-জেয়ারজিনহোদের দলে মূল স্ট্রাইকার হিসেবে খেলেন। বাকিটুকু তো ইতিহাসই! ১৯৬৬ বিশ্বকাপের দলেও ছিলেন টোস্টাও, সেবার গিয়েছিলেন পেলের ‘বিকল্প’ হয়ে। ’৭০ বিশ্বকাপে পেলের বিকল্প হিসেবে দলে প্রথমে সুযোগ পেলেও পরে তো পেলের পাশেই খেললেন। তা তর্কসাপেক্ষে সর্বকালের সেরা ফুটবলারকে এত কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা থেকে পেলেকেই সবার চেয়ে এগিয়ে রাখেন টোস্টাও। ফিফার ওয়েবসাইটে এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এত বছরে তো ডিয়েগো ম্যারাডোনা, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির সঙ্গে পেলের তুলনা হয়েছে, টোস্টাওয়ের কাছে পেলেকেই সর্বকালের সেরা মনে হয় কি না? তাতে টোস্টাওয়ের উত্তর, ‘আমার চোখে পেলে এঁদের সবার চেয়ে ভালো। আমার কাছে এখানে কোনো তুলনার প্রশ্নই আসে না। পেলে অনেক অনেক বেশি পূর্ণাঙ্গ ফুটবলার ছিলেন। একজন ফরোয়ার্ডের যত গুন থাকা সম্ভব, তার সবই তাঁর ছিল। কোনো খুঁত ছিল না তাঁর।’ ম্যারাডোনা, মেসি ও রোনালদোর সঙ্গে পেলের পার্থক্যটাও তুলে ধরেছেন টোস্টাও, ‘ম্যারাডোনার খেলা দেখার জন্য দারুণ ছিল, কিন্তু শারীরিকভাবে সে পেলের পর্যায়ে ছিল না। পেলের মতো অত গোলও করতে পারেনি। মেসির খেলা দেখাও দারুণ, কিন্তু সে পেলের মতো এত দারুণ হেড করতে পারে না, দুই পায়ে এত ভালো শট নিতে পারে না, পেলে যেরকম দুর্দান্ত অনেক কারিকুরি দেখাত সেগুলো করে না। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দারুণ একজন খেলোয়াড় কিন্তু ওর পেলের মতো সামর্থ নেই। পেলে যেমন দারুণ সব পাস দিতে পারতেন, ও সেরকম পারে না।’ এরপরই হেসে টোস্টাও বলে দিলেন তাঁর চোখে পেলের মতো ফুটবলার পাওয়ার সমীকরণ, ‘আপনি যদি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও মেসির সব গুণ নেন, সেগুলো একসঙ্গে যোগ করেন, তখন পেলের সঙ্গে তুলনা করার মতো একজন খেলোয়াড় পাবেন।’

Author Name

Sree Sojib Chandro

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.