নদীতে ফেলে দেওয়ার আগে থেঁতলে দেওয়া হয়েছিল মুখটা। ফলে দুই দিন পর যখন সাইদুর রহমান পায়েলের লাশ ভেসে উঠল, তখন সেটি আর দেখার অবস্থায় নেই। ততক্ষণে বিকৃত হয়ে গেছে। তাই শোকের সাগরে ডুবে থাকা মাকে শেষবারের মতো দেখানো হয়নি ছেলের ক্ষতবিক্ষত মুখ।নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়ে সাইদুর রহমানের চলে যাওয়ার দুই বছর পূর্ণ হয়েছে গতকাল বুধবার। এই দিন ছেলের ছবি ছুঁয়ে চোখের পানি ফেলা, মুঠোফোনের রেকর্ডারে জমে থাকা... বিস্তারিত
from প্রথম আলো https://ift.tt/3eWMCqJ
via IFTTT
Post a Comment